Home বাংলাদেশ বাংলাদেশের প্রখ্যাত সমাজ সেবক রুহিত সুমন। যার খ্যাতি ছড়িয়ে পরেছে বিদেশেও। জেনে...

বাংলাদেশের প্রখ্যাত সমাজ সেবক রুহিত সুমন। যার খ্যাতি ছড়িয়ে পরেছে বিদেশেও। জেনে নিন তার ব্যাপারে

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক যুব সংগঠক ও শান্তিদূত মো. সুমন রহমান, যিনি সবার কাছে রুহিত সুমন নামে অত্যন্ত সুপরিচিত। শৈশব থেকে প্রায় ষোল বছর ধরে সামাজিক কাজের সাথে যুক্ত হয়ে আছেন । সামাজিক পরিষেবার মাধ্যমে যিনি বিশ্ব শান্তি, স্বাস্থ্যসেবা এবং মানবাধিকার রক্ষা, টেকশই উন্নয়ন, পরিবেশ রক্ষায় দেশে এবং বহির্বিশ্বে সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। ময়ূরপঙ্খী শিশু-কিশোর সমাজকল্যাণ সংস্থা ও ময়ূরপঙ্খী পরিবারের চেয়ারম্যান হলেন রুহিত সুমন । একজন উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবী হিসেবে তরুণ বয়স থেকেই দেশ-বিদেশে পরিচিতি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। ইতোমধ্যে তিনি সবার কাছে বিবেচিত হয়েছেন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব হিসেবে। মূল পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ও ট্যুরিজমকে। এছাড়াও একজন উপস্থাপক, লেখক, স্পীকার ও মোটিভেশনাল ট্রেইনার হিসেবে সমান পারদর্শি তিনি । বাংলাদেশ এবং বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা, যুব উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে অসাধারণ ভূমিকা পালনকারী হিসেবে পেয়েছেন “গ্লোবাল পিস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড” সহ দেশ-বিদেশ থেকে নানা সম্মাননা, পুরস্কার ও সার্টিফিকেট । তিনি একজন অত্যন্ত সৎ, নিষ্ঠাবান, মেধাবী, বন্ধুবৎসল ও কঠোর পরিশ্রমী মানুষ।

পারিবারিক পরিচিতি :
১৯৯২ সালের ২০ জুলাই ঢাকায় এক ঐতিহ্যবাহি মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন রোহিত সুমন। তবে পৈতিকবাড়ি মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়িতে । তার পিতা মোঃ সিদ্দিকুর রহমান ও মাতা সিমা রহমান। তার দুই ভাই হৃদয় ও তন্ময় । ২০১৪ সালে সাথী খানের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন রোহিত সুমন। তাঁর এক পুত্র আছে যার নাম মোঃ স্মরণ রহমান ।

শিক্ষা জীবন :
মমতাময়ী মায়ের হাতেই লেখাপড়ার হাতেখড়ি এবং গ্রীন কিন্ডারগার্ডেন স্কুলের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা জীবনের শুরু হয় রোহিত সুমনের । বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র হিসেবে ২০০৯ সালে মিরপুর বাংলা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি, ক্যামব্রিয়ান কলেজ থেকে এইচ.এস.সি এবং গ্রীন ইউনিভার্সিটি থেকে ফিল্ম, টেলিভিশন এন্ড ডিজিটাল মিডিয়া বিষয়ের উপর কৃতিত্বের সাথে বি.এ অনার্স ডিগ্রী অর্জন করেন । এছাড়া দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও ইনস্টিটিউটে বিভিন্ন গবেষনাপত্র ও কোর্স সম্পন্ন করেন ।

ruhit-sumon-moyurponkhi-foundation

লেখালেখি শুরু :
স্কুল জীবন থেকেই বইপ্রেমী ছিলেন সুমন । নিয়মিতই পড়তেন বিভিন্ন বই, পত্রিকা ও ম্যাগাজিন । আহরণ করতে চাইতেন জ্ঞান ও নতুন নতুন নানা তথ্য । একটাসময় শুরু করলেন লেখা । শুরুটা অবশ্য ছড়া দিয়ে করেছিলেন । এরপর বেশি লিখতে থাকলেন গল্প, ফিচার, ভ্রমণ ও গোয়েন্দাকাহিনী । লেখা পাঠাতে থাকলেন বিভিন্ন পত্রিকা ও ম্যাগাজিনে । অবশেষে ২০০৪ সালে “বাংলাদেশ” নামক ছড়া প্রথম প্রকাশিত হয় । এরপর এক এক করে লেখা প্রকাশিত হতে থাকে বিভিন্ন দৈনিক, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক, মাসিক, ত্রৈমাসিক পত্রিকা, সাময়িকী, জার্নাল ও সম্পাদনা গ্রন্থে । লেখা প্রকাশিত হয়েছে যুগান্তর, প্রথম আলো, জনকণ্ঠ, কালেরকণ্ঠ, মানবকণ্ঠ, গোলাপকুঁড়ি, কানামাছি, কিশোর তারকালোক, ফুলকুঁড়ি, কানামাছি, টইটম্বুরসহ বিভিন্ন জনপ্রিয় মাধ্যমগুলোতে । আধুনিক যুগে প্রবেশের পর লেখা প্রকাশিত হয় দেশ-বিদেশের বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে । তাঁর অমর সৃষ্টি রহস্য, রোমাঞ্চে ভরপুর গোয়েন্দাকাহিনী “কিশোর গোয়ান্দা” সিরিজ ।

প্রকাশক ও সম্পাদক হিসেবে পদার্পণ:

লেখালেখি করতে করতে হঠাৎ তার মাথায় ঢুকলো পত্রিকা প্রকাশ করার ইচ্ছা। যেই ভাবা, সেই কাজ। নিজের জমানো সামান্য কিছু টাকা দিয়ে শুরু করেন যাত্রা । এরপর শুরু হলো লেখা সংগ্রহ, বিজ্ঞাপন ও পৃষ্ঠপোষক খোঁজ। এর দ্বারে, ওর দ্বারে ঘুরে সবার কাছ থেকে সাহায্য নিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করে অবশেষে প্রকাশিত হলো কাঙ্খিত পত্রিকা “ময়ূরপঙ্খী” । প্রকাশক ও সম্পাদকের পাশাপাশি বিজ্ঞাপন ও লেখাসংগ্রহ, সার্কুলেশন সবই তাকে করতে হতো। এরপর প্রতিমাসে নিয়মিতভাবে প্রকাশ হতে থাকলো “ময়ূরপঙ্খী” পত্রিকাটি । একসময় পত্রিকাটির নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় “ময়ূরপঙ্খী বিচিত্রা”

প্রথম বই প্রকাশ :
২০১৪ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত হয় প্রথম বই “ছোট্ট সোনার গাঁ” । “এরপর ছড়া কেন এতো মজা”, “পাখির প্রতি ভালোবাসা” এই বইগুলোও প্রকাশিত হয় । প্রকাশিত বই সংখ্যা ৩টি ।

ধর্মকর্ম :
একজন মুসলিম ও মুসলমান পরিবারে জন্মগ্রহণ করায় নিজেকে স্বার্থক ও ধন্য মনে করেন রোহিত সুমন। খুব ছোটবেলা থেকেই ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করে বড় হয়েছেন তিনি । নিয়মিত নামায আদায়, সাওম পালন ও পবিত্র কোরান তেলাওয়াতসহ ইসলামী জীবন ব্যবস্থা প্রতিনিয়ত অনুসরণ করে চলছেন তিনি। তার জীবনের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত মহান আল্লাহ ঘর তাওয়াফ। পাশাপাশি ইসলামের প্রথম মসজিদ “মসজিদে নববী”সহ পবিত্র হেরেম শরীফ, মদীনা শরীফে নামায আদায় করেন।

সামাজিক কাজে আত্মনিয়োগ :
স্কুল জীবন থেকেই সামাজিক কাজের সাথে যুক্ত তিনি । নিজের টিফিন ও হাত খরচের টাকা বাঁচিয়ে খাবার কিনে খাওয়াতেন পথশিশুদের । সাথে পরিবেশ রক্ষার্থে গাছ লাগানো, এছাড়াও প্রচুর বই সংগ্রহ করতেন তিনি। রমযান ও দুই ঈদে অসহায়, দুঃস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিতেন নিয়মিত। মূলত স্বেচ্ছাসেবামূলক তথা ভলান্টিয়ারিং কাজটি তার খুব পছন্দের ও সেই কাজ উপভোগ করতেন । স্কুল জীবনেই কাজ করেছেন সেভ দ্যা চিলড্রেন কানাডা, সেভ দ্যা চিলড্রেন অষ্ট্রেলিয়া, ইউনিসেফসহ বহু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে। একটা সময় তিনি উপলব্ধি করেন একটা প্লাটফর্ম দরকার, যার মাধ্যমে বড় পরিসরে কাজ যেন বাস্তবায়ন করা যায়। সেই কথা মাথায় রেখেই ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠা করলেন স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন “ময়ূরপঙ্খী ফাউন্ডেশন” । তবে মন মতো কাউকে না পেলেও হাল ছাড়ার পাত্র তো তিনি নন । নানা চড়াই উৎড়াই, পরিশ্রম, মেধা ও অর্থ দিয়ে পরবর্তী ৬ বছর একাই টেনে নিয়ে গেলেন সংগঠনটি। তার কাজগুলো প্রসারিত হতে শুরু করলো ও ভালোবাসা পেতে থাকলেন বিভিন্ন মহল থেকে । তবে নিঃসন্দেহে তার পরিবারের সমর্থন ছিল অতুলনীয় । ছেলের এই ভালো কাজের আগ্রহ দেখে তার মা উৎসাহ দিতেন আর বাবা করতেন আর্থিক সহযোগিতা। ভাইয়েরা সহযোগিতা করতেন সময় দিয়ে। অবশেষে ২০১৪ সালের ১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন তার স্বপ্নের ফাউন্ডেন “ময়ূরপঙ্খী শিশু কিশোর সমাজকল্যাণ সংস্থা” সংক্ষেপে যা “ময়ূরপঙ্খী ফাউন্ডেশন” নামেই সুপরিচিত । একেবারেই পারিবারিক সহযোগিতায় গড়ে উঠা সংগঠনটিতে সংযুক্ত হতে শুরু করলেন তরুণ, যুবকসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ । নতুন উদ্যোমে শুরু হলো কাজ। সহযোদ্ধা হিসেবে পাশে এলেন তার সহধর্মিনী সাথী খান । শক্তি যেন অনেকটা বেড়ে গেল, এরপর ধাপে ধাপে প্রতিষ্ঠা করলেন সুবিধাবঞ্ছিত শিশু ও নারীদের জন্য শিক্ষাকেন্দ্র “ময়ূরপঙ্খী আদর্শলিপি স্কুল” ও “ময়ূরপঙ্খী নারী শিক্ষাকেন্দ্র” । গড়ে তুললেন “ময়ূরপঙ্খী সৃজনশীল লাইব্রেরী”, “ময়ূরপঙ্খী সাইন্স ক্লাব” “ময়ূরপঙ্খী গ্রীন গার্ডেন”সহ বহু সেবামূলক প্রতিষ্ঠান । তার নিজ হাতে প্রতিষ্ঠিত সংস্থা “ময়ূরপঙ্খী” ইতিমধ্যে দেশ-বিদেশ থেকে স্বীকৃতির পাশাপাশি পেয়েছে জাতীয় ও আন্তর্জতিক নানা পুরস্কার ও সম্মান প্রাপ্ত।

প্রথম আয় :
২০০৫ সালে একটি পত্রিকায় প্রতিবেদন লিখে সম্পাদকের কাছ থেকে একটি খয়েরি খাম পেলেন । বাসায় এসে দেখেন ৫০ টাকার একটি নোট । কি যে আনন্দ অনুভূত হলো তার মধ্যে তা হয়তো লিখে বোঝানো খুবই কঠিন । জীবনের প্রথম আয় আজও তার কাছে অতুলনীয়।

উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী :
ছাত্র জীবন থেকেই স্বপ্ন দেখতেন নিজে কিছু করবেন পাশাপাশি কাজ করবেন। বাবার ছত্রছায়া থেকেই আত্নপ্রকাশ ঘটলো একজন উদ্যোক্তা হিসেবে । মাথায় ঘুরতে থাকলো নিজে আয় না করলে, নিজেকে প্রতিষ্ঠিত না হলে অন্যের জন্য কাজ করা কঠিন হয়ে পরবে। যেহেতু ইতিমধ্যে বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে করা হয়েছে নানারকম প্রোগ্রাম । তৈরি হয়েছে মোটামোটি বড় একটি নেটওয়ার্ক । রাতে ঘুমাতে যাবার সময়ই মাথায় এলো যেহেতু ভালো কথা বলতে পারি, ওয়ার্কসপ করছি এবং ব্যবস্থাপনা ভালো বুঝি তাহলে বিভিন্ন কর্পোরেট ইভেন্ট এবং উপস্থাপনাতো করতে পারি। শুরু হয়েকাজ। পরের দিনই বেরিয়ে পরলেন নতুন স্বপ্নের সন্ধানে । যেসব প্রতিষ্ঠানে সামাজিক কাজগুলো করেছেন, কথা বললেন কর্তৃপক্ষের সাথে। তবে রিফিউজ হতে থাকলেন সব জায়গা থেকেই। হাল না ছেড়ে এগিয়ে গেলেন আর অবশেষে পেয়ে গেলেন একটি স্কুলে বিজয় দিবস অনুষ্ঠানটি ব্যবস্থাপনা ও উপস্থাপনার দায়িত্ব। এভাবেই ২০০৮ সালে আত্নপ্রকাশ করলেন নিজের ক্যারিয়ার একজন উপস্থাপক ও ইভেন্ট ডিরেক্টর হিসেবে । ২০১৩ সালে উদ্বোধন করলেন ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান “ময়ূরপঙ্খী ইন্টারন্যাশনাল”।

আন্তর্জাতিক সম্মেলন :
একজন সংগঠক ও যুব শান্তিদূত হিসেবে বাংলাদেশের গর্বিত প্রতিনিধি হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলন, সামিট ও সেমিনারে।
তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো :

* দূর্যোগ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন, ঢাকা, বাংলাদেশ।
* তেলেঙ্গানা জাগরতি আন্তর্জাতিক যুব সম্মেলন, হায়দ্রাবাদ, ভারত
* আন্তর্জাতিক যুব সম্মেলন, কুয়ালালামপুর, মালয়েশিয়া
* বিশ্ব যুব শান্তি সম্মেলন, মালে, মালদ্বীপ
* বিশ্ব যুব সম্মেলন, নিউ দিল্লী, ভারত
* আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সম্মেলন, দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত
* আন্তর্জাতিক শিক্ষা সম্মেলন, ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
* ইউএন মডেল কনফারেন্স, বালি, ইন্দোনেশিয়া
এই সম্মেলনগুলোতে তিনি বাংলাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যকে সারা বিশ্বের দরবারে তুলে ধরছেন এবং বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের প্রসারে বিদেশী ডেলিগেটদের বাংলাদেশে ভ্রমণের ব্যাপারে উৎসাহী করছেন।

আন্তর্জাতিক পুরস্কার :
আন্তর্জাতিক পুরস্কার, অ্যাওয়ার্ড ও সম্মাননা প্রাপ্তির মধ্যে উল্লেখযোগ্য-
* গ্লোবাল পিস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড, মালদ্বীপ
* আন্তর্জাতিক যুব পুরস্কার, ভারত
* মাহাত্মা গান্ধী শান্তি পদক, ভারত
* আন্তর্জাতিক শিক্ষা পুরস্কার, থাইল্যান্ড
* ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যাওয়ার্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত
* যুব সংগঠক পুরস্কার, নেপাল
* সার্ক উদ্যোক্তা সম্মাননা, বাংলাদেশ
* আউটস্টান্ডিং সোস্যাল চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড, ভুটান
* এক্সিলেন্স পিস অ্যাওয়ার্ড, ফিলিপাইনস
* স্যোসাল সোলডার অ্যাওয়ার্ড, ভারত

ভ্রমণ :
ভ্রমণপ্রিয় সুমন ইতিমধ্যে দেশের পর্যটনসমৃদ্ধ বিভিন্ন জায়গা এবং জেলার পাশাপাশি দেশের বাইরেও ভ্রমণ করেছেন । বিশ্ব পর্যটক হিসেবে নেপাল, ভারত, ভুটান, শ্রীলংকা, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া এর প্রায় ৫০টিরও বেশি শহর ভ্রমণ করেছেন ।

- Advertisment -

জনপ্রিয়

মায়ের মৃত্যুদিনে পথ পশুদের কল্যাণার্থে পারমিতা মুন্সী ভট্টাচার্য এর পরিচালনায় হয়ে গেলো ‘বর্ষ বরণে বিবিয়ানা’

পথপশুদের কল্যাণার্থে শিবানী মুন্সী প্রোডাকশনের 'বর্ষবরণে বিবিয়ানা' শীর্ষক বাংলা নববর্ষের ক্যালেন্ডার প্রকাশ হয়ে গেল। এই ক্যালেন্ডার থেকে সংগৃহীত অর্থ খরচ করা হবে পথ পশুদের...

কি করলে আপনাকে বা আপনার পরিবারকে ছুঁতে পারবেনা করোনা

বর্তমানের ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে নিস্তার পাওয়াটাই এখন সকল মানুষের একমাত্র লক্ষ্য. কিন্তু কিভাবে পাবো এই ভয়ানক কোবিড ১৯ এর হাত থেকে মুক্তি? কোবিড ১৯ ভাইরাস...

অতিমারির মধ্যেও প্রকৃতির আরো কাছে ফিরে যাচ্ছেন জয়া আহসান..

করোনা নামক ভয়ঙ্কর ভাইরাস বাংলাদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে। সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। কিন্তু শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে তার কণ্ঠে বিষন্নতা রয়েছে। চারিদিকে...

চারিদিকে অক্সিজেনের হাহাকার, এই পরিস্থিতিতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন টলি তারকারা…

গোটা বিশ্ব আজ করোনা মহামারীর কবলে। Covid এর দ্বিতীয় ঢেউ তে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ সাথে মৃত্যু। করোনার দ্বিতীয় ঢেউতে এই প্রথম দৈনিক সংক্রমণ বেড়ে...