Home বিনোদন A sweet review of bengali film "parineeta" in bengali

A sweet review of bengali film “parineeta” in bengali

একজন পড়ুয়া ও তার পাড়ার দাদা (গৃহ শিক্ষক)কে কেন্দ্র করেই এগিয়েছে ছবির গল্প। রহস্য-রোমাঞ্চে পূর্ণ এই ছবির গল্প শুরু হয় মেহুল ও তাঁর শিক্ষক বাবাইদাকে নিয়ে।

বিয়ের পর আবার বড়পর্দায় শুভশ্রী গাঙ্গুলির প্রথম ছবি ‘পরিণীতা। বেশ কিছুদিন ধরে রাজ এমন গল্পের খোঁজে ছিলেন যেখানে তিনি অভিনেত্রী হিসেবে শুভশ্রীর যথাযথ ব্যবহার করতে পারেন। শুভশ্রীও বরের নির্দেশনাতেই কাজ করবেন বলে স্থির করেছিলেন। তারই ফল ‘পরিণীতা’।

তবে এ ছবির সঙ্গে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের “পরিণীতা”-র কোনও যোগ নেই। নিজের মতো চিত্রনাট্য সাজিয়েছিলেন রাজ চক্রবর্তী। একজন পড়ুয়া ও তার গৃহশিক্ষককে কেন্দ্র করেই এগিয়েছে ছবির গল্প। রহস্য ও রোমাঞ্চে পূর্ণ এই ছবির গল্প শুরু হয় মেহুল ও তাঁর শিক্ষক বাবাইদাকে নিয়ে। চঞ্চল ও ডানপিটে স্বভাবের মেয়ে মেহুল স্কুলে পড়ে, বাবাইদাকে একটু অন্য চোখেও দেখে। জানলা দিয়ে একমনে বাবাইদার বাড়ির দিকে তাকিয়ে থাকে। মেহুলের ক্রাশ বাবাই দা।

এদিকে বাবাই মেহুলকে ছাত্রী ছাড়া অন্যকিছু ভাবে না, কেবলমাত্র পড়াশোনায় তার সাহায্য করে। এক বছর দোলের দিনে বাবাই মেহুকে বাড়িতে ডাকে। এরপরেই বদলে যায় মেহুলের জীবন। টমবয়, দুরন্ত মেয়েটি শান্ত ও দায়িত্বপরায়ণ হয়ে ওঠে। ছবিতে মেহুলের এই জীবনধারাকেই ক্যামেরাবন্দী করতে চেয়েছেন রাজ চক্রবর্তী। ছবিতে মেহুলের ভূমিকায় দেখা গেছে শুভশ্রীকে এবং বাবাইদা ঋত্বিক চক্রবর্তী কে।

রাজ চক্রবর্তীর প্রোডাকশন হাউসের ব্যানারে তৈরি এই ছবির পরিচালক রাজ চক্রবর্তী। চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন পদ্মনাভ দাশগুপ্ত। ক্যামেরায় মানস গঙ্গোপাধ্যায়। অর্কপ্রভ মুখোপাধ্যায়ের মিউজিক আছে ‘পরিণীতা’য়।

পরিণীতা ২০১৯ সালে রাজ চক্রবর্তী প্রোডাকশনের ব্যানারে মুক্তি পেয়েছে। ভারতীয় বাংলা প্রণয়ধর্মী চলচ্চিত্রটি। পরিণীতা চলচ্চিত্রের প্রযোজনা ও পরিচালনা করেন স্বয়ং রাজ চক্রবর্তী। চলচ্চিত্রটি মধ্যে রয়েছে শহুরে ভালোবাসা, বিচ্ছেদ ও প্রতিশোধের একটি অপূর্ব কাহিনী। এই চলচিত্রের অভিনয় করেন শুভশ্রী গাঙ্গুলী, ঋত্বিক চক্রবর্তী, গৌরব চক্রবর্তী ও ফালাক রশিদ রায় এবং অদ্রিত রায়। গত ২০১৯ সালের ৬ সেপ্টেম্বর চলচ্চিত্রটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। এছাড়াও অনলাইনে জি5 এ মুক্তি পায় পরিণীতা।

এই চলচিত্রের যে যে অভিনেতা অভিনেত্রীরা অভিনয় করেছেন তাদের চরিত্র গুলি অসাধারণ-
✓শুভশ্রী গাঙ্গুলি অভিয়ন করেছেন- মেহুল চরিত্রে।
✓ঋত্বিক চক্রবর্তী অভিনয় করছেন- বাবাই চরিত্রে।
✓গৌরব চক্রবর্তী অভিনয় করেছেন- রনদেব চরিত্রে
✓ফালাক রশিদ রায় অভিনয় করছেন- সায়ন্তিকা চরিত্রে।
✓অদ্রিত রায় অভিনয় করেছেন- আনন্দ চরিত্রে।
✓লাবনী সরকার অভিনয় করেছেন- বাবাইয়ের মায়ের চরিত্রে।
✓তুলিকা বসু অভিনয় করছেন- মেহুলের মায়ের চরিত্রে।
✓বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী অভিনয় করছেন- মেহুলের বাবার চরিত্রে।
আদ্রিজা আড্য রায় অভিনয় করেছেন- টুসু, মেহুলের বান্ধবীর চরিত্রে।

পরিণীতার কাহিনী সকলের মন ছুঁয়ে গেছে। ভালোবাসা থেকে বিচ্ছেদ শেষে মৃত্যুতে পরিণতি

এই চলচ্চিত্রে মেহুল (শুভশ্রী গাঙ্গুলী) বোর্ড(H.S) পরীক্ষায় বসতে যাওয়া এক চঞ্চল কিশোরী। পড়াশোনা যার অরুচি। বাবার(বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী) আবদার মেয়ের কাছে যে পাড়ায় বাবাই এর থেকে বেশি নম্বর পেয়ে সে বাবার নাম উজ্জ্বল করবে। তাই সে বাবাই এর কাছে মেহুল কে পড়তে পাঠায়। আর মেহুল যে তার টিউশন শিক্ষক বাবাইদার (ঋত্বিক চক্রবর্তী) প্রেমে পাগল। বাবাইদা নিজে একজন মেধাবী ছাত্র, যে পাড়ায় সবচেয়ে বেশি নম্বর পায় এছাড়াও যে একজন ভালো মনের মানুষ। মেহুলের ধারণা ছিল বাবাইদাও মেহুল কে ভালোবাসে, যখন সে দেখতে পায় শান্ত প্রকৃতির বাবাইদার সাথে কেউ খারাপ ব্যবহার করছে তখন সে সহ্য করতে পারে না। দোলের আগের একদিন বাবাইদা মেহুলকে বলে যে কিছু কথা আছে যা সে মেহুল কে বলতে চায়। মেহুল ধরেই নেয় বাবাইদা তাকে প্রেম নিবেদন করবে। মেহুল সেই কথা তার বান্ধবীদের বললে তারা সেই নিয়ে হাসি মজাও শুরু করে দেয়। হোলির দিন মেহুল আবীরের মধ্যে সিঁদুর মিশিয়ে নিয়ে ছাদে বাবাই দার জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। কিন্তু বাবাইদা মেহুলের সামনে নিয়ে আসে সায়ন্তিকাকে (ফালাক রশিদ রায়) এবং সে মেহুল কে জানায় সে সায়ন্তিকাকে ভালোবাসে। সায়ন্তিকাকে সে তার নতুন গার্লফ্রেন্ড হিসেবে পরিচয় দেয়, যাকে বাবাই দা কলেজ থেকে ভালোবাসে কিন্তু বলতে পারেনি সে সম্প্রতি প্রেম নিবেদন করেছে এবং সায়ন্তিকা স্বীকার করেছে। বাবাইদা মেয়েটির সাথে একই অফিসে কাজ করত এবং তার নামে একটি ডায়রি লিখতো। বাবাইদা মেহুলকে সিঁদুর মেশানো আবীর দিয়ে মেহুলর সিঁথি রাঙিয়ে দেয়। মর্মাহত মেহুল সায়ন্তিকাকে আবির লাগিয়ে বলে যে এখন থেকে সে বাবাইদার সমস্ত দায়িত্ব তার হাতে তুলে দিয়ে যাচ্ছে। এই বলে সে বেরিয়ে যায়। এরপর থেকে মেহুল বাবাইদাকে এড়িয়ে চলা শুরু করতে থাকে, বাবাই দা ফোন করলে সে ফোন ধরে না এবং পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে শুরু করে। একদিন স্কুল থেকে ফেরার সময় হঠাৎ বাবাইদার সাথে দেখা হলে মেহুল তার সাথে খারাপ ব্যবহার করে যে মেহুল বাবাইদা কে চোখে হারাতো। বাবাইদা তাকে একটি চিঠি দিলে সে অনিচ্ছা দেখিয়েও চিঠিটি গ্রহণ করে এবং বাড়ি চলে আসে। তিন মাস পর বোর্ড পরীক্ষার ফলাফল বেরোলে দেখা যায় মেহুল বাবাইদার রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে, এবং 86% নম্বর নিয়ে সে পাড়ায় বাবাই এর থেকেও বেশি নম্বর পেয়ে পাশ করেছে। যার ফলে মেহুলের বাবা, মা খুব খুশি। এরই মধ্যে কিছুক্ষণ পরেই খবর আসে বাবাইদা আত্মহত্যা করেছে। এই সংবাদ পাওয়া মাত্রই মেহুল ছুটে বাবাইদার বাড়িতে এবং বাবাইদার মৃতদেহ দেখে সহ্য করতে না পেরে বাড়ি ফিরে এসে কান্নায় ভেঙে পড়ে। ৪ বছর পর দেখা যায়, মেহুল একটি সরকারি অফিসে নিম্ন-বেতনে কর্মরত, যা দিয়ে মেহুল বাবাইদার বাড়ির খরচ সহ নিজের বাড়ির খরচ বহন করে। বাবাইদার বাড়িতে বাবাইদার অসুস্থ শয্যাশায়ী মা ছাড়া আর কেউ থাকে না। একদিন আনন্দ নামে মেহুলের এক সহকর্মী মেহুলকে তাদের অফিসের বিপরীতে ইউনিকর্ন নামের কর্পোরেট অফিসে ইন্টারভিউয়ে উৎসাহিত করে। মেহুল সেখানে যায় এবং ইন্টারভিউ দিয়ে চাকরি পেয়ে যায়। সে আগেও এই চাকরির জন্য চেষ্টা করেছিল কিন্তু পায় নি। প্রথম দিন অফিসে বস রণদেবের (গৌরব চক্রবর্তী) সাথে সাক্ষাৎ হয় তার, যেখানে রণদেব তাকে জীবন উপভোগ করতে এবং সুখী থাকতে বলে। এরপরে আনন্দ তাকে বলে নিজেকে একটু পরিবর্তন করতে। পরবর্তী দিন মেহুল তার পোশাক পরিচ্ছদকে পরিবর্তন করে আকর্ষণীয় করে তোলে নিজেকে, যাতে সুদর্শন বস তার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ে। মেহুলের কাছে পৌঁছানোর জন্য সে ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে। মেহুলও তার প্রতি সাড়া দিতে শুরু করে। এর মধ্যে বাবাইদার মা মারা যায়। একদিন রণদেব তাকে ডিনারের জন্য আমন্ত্রণ করে একটি হোটেলের রুমে এবং প্রকারান্তরে একসাথে রাত কাটানোর পরিকল্পনাও করে। সেই সময়েই রণদেবের ফোন বেজে উঠে এবং দেখতে পায় ফোনটা তার স্ত্রী সায়ন্তিকা করেছে, যাকে বাবাইদা ভালোবাসার মানুষ হিসেবে পরিচয় দিয়েছিল মেহুলের কাছে। রণদেব মেহুলকে বিছানায় যেতে জোর করে এবং মেহুল তাকে মাথায় আঘাত করে। এমন অবস্থায় পর্দার দৃশ্যপট বদলে দেখা যায় মেহুল খালি পায়ে, ছেঁড়া কাপড়ে পুলিশ স্টেশনের দিকে দৌঁড়াচ্ছে। সে পুলিশ স্টেশনে ঢুকে ধর্ষিত হওয়ার ইঙ্গিত দেয় এবং জ্ঞান হারায়। এরপর থেকেই বাবাইদার আত্মহত্যার রহস্য উন্মোচিত হতে শুরু করে। বাবাইদার দেওয়া চিঠি থেকে মেহুল জানতে পারে বাবাইদা এবং সায়ন্তিকা কলেজ থেকে বন্ধু ছিল। ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করার পর দুজনই তাদের আরও কিছু বন্ধুদের সাথে ইউনিকর্নে ইন্টার্ন হিসেবে কাজ করতে শুরু করে। কিন্তু বস রণদেব সায়ন্তিকার ওপরে আগ্রহ দেখাতে শুরু করলে সায়ন্তিকা বদলে যায়। বাবাইদা প্রায়ই সায়ন্তিকা ও রণদেবকে রণদেবের কামরায় ঘনিষ্ঠভাবে পেতে থাকে। একদিন বাবাইদা তার বন্ধুর সাথে হওয়া অবিচারের প্রতিবাদ করতে রণদেবের কামরায় গেলে সায়ন্তিকা ও রণদেবকে খুবই ঘনিষ্ঠভাবে তাদের দেখে। রাগে বাবাইদা আর রণদেবের মধ্যে হালকা বচসা হয়। পরবর্তীতে সায়ন্তিকা ও রণদেব বাবাইদার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে। সায়ন্তিকা বর্তমানের মেহুলের মতোই পুলিশ স্টেশনে গিয়ে বাবাইদার বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণের অভিযোগ আনে। যার কারণে বাবাইকে আইনের মুখোমুখি হতে হয়। খুবই পড়ুয়া এবং নারীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনকারী ব্যক্তি হিসেবে ধর্ষণের অভিযোগ বাবাই সহ্য করতে পারে নি। সেইসাথে তার কর্মজীবনও ধ্বংসের শেষপ্রান্তে পৌঁছেছিল। এসব সহ্য করতে না পেরে বাবাই আত্মহত্যা করে। কিন্তু মৃত্যুর আগে বাবাই মেহুলের কথা ভাবে যে একমাত্র মেহুলই তাকে বিশ্বাস করবে যেহেতু সে তাকে ভালোবাসে। বাবাইয়ের মৃত্যুর পর সায়ন্তিকা ও রণদেব বিবাহ করে। বাবাইয়ের মৃত্যু রহস্য উন্মোচিত হওয়ার পর দেখা যায় রণদেবকে পুলিশ আটক করছে, এবং তার স্ত্রী সায়ন্তিকাকে প্রতারণার জন্য অভিযুক্ত করা হচ্ছে। শেষপর্যন্ত এটা পরিষ্কার হয়ে যায় বাবাইদার মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার উদ্দেশ্যেই ইউনিকর্নে কাজে মেহুল যোগদান করে। শেষ মুহূর্তে মেহুল বাবাইদার ছবির সামনে বলে যে, সে তার স্ত্রী, যেহেতু চার বছর আগে হোলির দিন সিঁদুর মেশানো আবীর দিয়ে মেহুলের মাথা রাঙিয়েছিল যার জন্য স্ত্রী হিসেবে ন্যায়বিচার পাইয়ে দেওয়া তার কর্তব্য ও দায়িত্ব ছিল।

পরিণীতা চলচ্চিত্রের সঙ্গীত পরিচালক অর্কপ্রভ মুখোপাধ্যায়ের সুর ছবিটিকে এক উচ্চমানের দরজায় পৌঁছে দিয়েছে।

‘পরিণীতা’ ছবির প্রথম গান নাম ”তোমাকে”। গানটি কম্পোজ করেছেন অর্কপ্রভ মুখোপাধ্যায়। উত্তর কলকাতার গলি ক্রিকেট থেকে পাড়াতুতো প্রেম – সমস্ত ছবি উঠে এসেছে এই গানটিতে। খুবই কম সময়ের মধ্যে জনপ্রিয়তা পাওয়া এই ‘তোমাকে’ গানটি গেয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী শ্রেয়া ঘোষাল। যার কণ্ঠে গানটি অসাধারণ স্থান পেয়েছে।

“তোমাকে” গানটির লিরিক্স(Tomake Song Lyrics) :

প্রাণ দিতে চাই, মন দিতে চাই
সবটুকু ধ্যান সারাক্ষন দিতে চাই
তোমাকে, ও.. তোমাকে।

স্বপ্ন সাজাই, নিজেকে হারাই
দুটি নিয়নে রোজ নিয়ে শুতে যাই
তোমাকে, ও.. তোমাকে।

জেনেও তোমার আঁখি চুপ করে থাকে
রোজ দুইফোঁটা যেন আরও ভালো লাগে
গানে, অভিসারে, চাই শুধু বারেবারে
তোমাকে, ও.. তোমাকে।

যেদিন কানে কানে সব বলবো তোমাকে
বুকের মাঝে জাপটে জড়িয়ে ধরবো তোমাকে।

পথ চেয়ে রই, দেরি করোনা যতই
আর ভোলা যাবেনা জীবনে কখনোই,
তোমাকে, ও.. তোমাকে।

তুমি হাসলে আমার ঠোঁটে হাসি,
তুমি আসলে জোনাকি রাশি রাশি
রাখি আগলে তোমায় অনুরাগে
বলো কিভাবে বোঝাই ভালোবাসি?
সব চিঠি সব কল্পনা জুড়ে
রং মিশে যায় রুক্ষ দুপুরে
সেই রং দিয়ে তোমাকেই আঁকি
আর কিভাবে বোঝাই ভালোবাসি।

হ্যাঁ প্রাণ দিতে চাই, মন দিতে চাই
সবটুকু ধ্যান সারাক্ষন দিতে চাই
তোমাকে, ও.. তোমাকে।

স্বপ্ন সাজাই, নিজেকে হারাই
আর দুটি নিয়নে রোজ নিয়ে শুতে যাই
তোমাকে, ও.. তোমাকে।

পরিচালক রাজ চক্রবর্তী জানিয়েছিলেন এক ভিন্ন স্বাদের ছবি উপহার দিতে চলেছেন তিনি। তারই আভাস মিলল ‘পরিণীতা’ ছবির দ্বিতীয় গানে ‘সেই তুমি’।

পরিণীতা’ ছবির ‘সেই তুমি’ গানে দেখা গেছে ঋত্বিক চক্রবর্তী এবং শুভশ্রী গাঙ্গুলী ও অদ্রিত কে। গানে শুভশ্রী রয়েছেন সম্পূর্ণ নতুন লুকে। পোস্টারে প্রথম থেকেই এক দুষ্টু মিষ্টি সম্পর্কের আভাস মিলেছিল। পরে ট্রেলারে ঋত্বিকের মৃত্যু চমকে দিয়েছিল সমস্ত দর্শককে। এর পর গল্পটা উঠে আসে গানের মধ্যে দিয়ে। তাঁর অভিনীত চরিত্রটিতে সুখ-দুঃখ, ভালোবাসা, মনের কষ্ট -সব কিছুই যেন উঠে এসেছে তাদের অভিনয়ের গুণে৷ এ যেন এক অন্যরকম শুভশ্রী

- Advertisment -

জনপ্রিয়

সরস্বতী নাট্যোৎসবের দ্বিতীয় পর্যায় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে উত্তর চব্বিশ পরগনার অশোকনগরে

করোনা প্রকোপ খানিক শান্ত হতে না হতেই এই শীতের মরসুমে নাট্যপিপাসু দর্শকদের কাছে সবচেয়ে আনন্দের বিষয় কলকাতা সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে অনুষ্ঠিত হওয়া নাট্যোৎসবে...

“পাই” এর উৎসবে মাতলো কলকাতা। ২০ থেকে ২৬ শে জানুয়ারি পর্যন্ত চললো সেলিব্রেশন

কলকাতায় গল্ফগ্রীনে পুরো সপ্তাহ ধরে চললো "পাইয়ের উৎসব"। "দ্য পাই হাউসের" পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক পাই ডে উপলক্ষে ২০ থেকে ২৬ শে জানুয়ারি সেলিব্রেট করা...

কলকাতা প্রেক্ষাপট এর নাট্য – পার্বণ

ভারতীয় সংকৃতির পীঠস্থান আমাদের এই বাংলা । নাট্যচর্চা বাংলার তথা ভারতীয় সংস্কৃতির এক অভূতপূর্ব ধারাকে বহন করে নিয়ে চলেছে প্রাচীনকাল থেকেই । বরাবরই বিভিন্ন...

সুযোগ পেলে আমিও স্বাস্থ্য সাথীর কার্ড করাবো” বললেন দিলীপ ঘোষ

মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নে এবার সামিল রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। স্বাস্থ্য সাথীর কার্ড করেছেন দিলীপ ঘোষ ও তার পরিবার এমনই দাবি করলেন বীরভূম...