Home অজানা তথ্য প্রায় ৬০০ বছরের পুরোনো সিমলাগড় কালীবাড়ির ইতিহাস...

প্রায় ৬০০ বছরের পুরোনো সিমলাগড় কালীবাড়ির ইতিহাস…

সিমলাগড় কালীবাড়ি প্রায় ৬০০ বছরের পুরোনো, শোনা যায় ডাকাতরা ডাকাতি করতে যাওয়ার আগে নরবলি দিত সিমলাগড় কালীবাড়িতে। পান্ডুয়ার সিমলাগড়ে অবস্থিয় এই কালীমন্দিরটি। সিমলাগড়ের নাম পূর্বে ছিল হরিহরপুর।




এই অঞ্চলে যখন মায়ের পুজো শুরু হয় তখন চারিদিকে কোনো বাড়ি ঘর ছিল না, চারদিক ছিল জঙ্গল। সেই সময় এলাকায় পুকুরপাড়ে এক কাপালিক একটি মাটির ঘর যা উপরে তালপাতার ছাউনি দেওয়া ছিল সেই ঘরে পঞ্চকুন্ডির আসনে বসে মায়ের পুজো করতেন। সেই সময়কার বড় বড় ডাকাতরা সেখানে পুজো দিতেই যার মধ্যে আছে রঘু ডাকাতের নামও।




দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকে সৈন্যচলাচল বাড়তে শুরু করল ওই এলাকায়। মানুষরাও ভয় কাটিয়ে মায়ের পুজো দিতে শুরু করতে, ধীরে ধীরে বাড়তে লাগলো ভক্তের সংখ্যা। পরে মন্দির সংস্কার করে আরও বড় মন্দির তৈরী হল। মন্দিরে মায়ের মূর্তিটি মাটির নয় পাথরের, প্রতিবছর তা রঙ করা হয়।



এই মন্দিরে মায়ের পুজো শুরু হয় লক্ষ্মণ ভট্টাচার্যের আদি পুরুষের সময় থেকে। ওই পরিবারের এক তান্ত্রিক একবার তন্ত্রসাধনা করতে এসে নরমুন্ড দেখে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে, তারপর থেকে নরবলির বদলে ছাগ বলি শুরু হয়।দক্ষিণী কালী রুপে পূজিত মাকে কালীপুজোয় ১০৮ রকমের ভোগ দেওয়া হয়, দেওয়া হয় মাছের ভোগ।



প্রতিবছর কালীপুজোয় মায়ের মন্দির প্রচুর ভক্ত সমাগম হয়। তবে এবছর করোনার জেরে দূরদুরান্ত থেকে মানুষ আসতে পারেনি। করোনা বিধি মেনে মায়ের পুজো হয়েছে

- Advertisment -

জনপ্রিয়

“ময়ূরপঙ্খীর” তরফ থেকে দিনমজুর ও রিক্সা চালকদের জন্য ঈদ উপলক্ষে কিছু উপহার প্রদান করা হলো

"ময়ূরপঙ্খী শিশু কিশোর সমাজ কল্যাণ সংস্থা" র পক্ষ থেকে এবং গ্লোবাল স্পা ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ঢাকার মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় অসহায়, বয়স্ক, দিনমজুর ও রিক্সা চালকদের...

মায়ের মৃত্যুদিনে পথ পশুদের কল্যাণার্থে পারমিতা মুন্সী ভট্টাচার্য এর পরিচালনায় হয়ে গেলো ‘বর্ষ বরণে বিবিয়ানা’

পথপশুদের কল্যাণার্থে শিবানী মুন্সী প্রোডাকশনের 'বর্ষবরণে বিবিয়ানা' শীর্ষক বাংলা নববর্ষের ক্যালেন্ডার প্রকাশ হয়ে গেল। এই ক্যালেন্ডার থেকে সংগৃহীত অর্থ খরচ করা হবে পথ পশুদের...

কি করলে আপনাকে বা আপনার পরিবারকে ছুঁতে পারবেনা করোনা

বর্তমানের ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে নিস্তার পাওয়াটাই এখন সকল মানুষের একমাত্র লক্ষ্য. কিন্তু কিভাবে পাবো এই ভয়ানক কোবিড ১৯ এর হাত থেকে মুক্তি? কোবিড ১৯ ভাইরাস...

অতিমারির মধ্যেও প্রকৃতির আরো কাছে ফিরে যাচ্ছেন জয়া আহসান..

করোনা নামক ভয়ঙ্কর ভাইরাস বাংলাদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে। সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। কিন্তু শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে তার কণ্ঠে বিষন্নতা রয়েছে। চারিদিকে...